1. abir.sayeed@gmail.com : abir :
  2. xerosmac@gmail.com : Mohin Soy : Mohin Soy
  3. zakariashipon1993@gmail.com : Narayanganj Tribune : Narayanganj Tribune
  4. sifat.sikder13@gmail.com : Sifat Sikder : Sifat Sikder
September 28, 2021, 4:20 pm

ইসদাইরে আওয়ামী লীগ নেতা মাসুমের উদ্যোগে শোক দিবস পালিত

Reporter Name
  • Update Time : Monday, August 16, 2021

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোসরাফ উদ্দিন আহমেদ মাসুম বলেছেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাঙালি  জাতির মুক্তির দিশারি। তার ডাকে পাকিস্তানের শোষক গোষ্ঠীর হাত থেকে মুক্তি পেতে জাতি র্ধম-বর্ণ নির্বিশেষে এ দেশের কৃষক-শ্রমিক ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল। মুজিব হত্যার মাধ্যমে ঘাতকরা মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনায় আঘাত হানে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুধু দেশ স্বাধীনের লড়াই ছিল না, এটি ছিল অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনের জনযুদ্ধ।

গতকাল রোববার (১৫ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ফতুল্লার ইসদাইরে স্বাধীন বাংলা সমাজ উন্নয়ন পরিষদের আয়োজনে মিলাদ, দোয়া ও নেওয়াজ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মাসুম আরো বলেন,  ‘ভাষা আন্দোলনে বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার যে জাগরণ শুরু হয়, তারই পরিপূর্ণ প্রকাশ ঘটে মুক্তিযুদ্ধে। ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল একটি ন্যায়সঙ্গত আবাসস্থল প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর দেশ গিয়ে পড়ে প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর হাতে।

যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে আনা, জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিকে বৈধতা দান ও তাদের ক্ষমতায়ন করাই ছিল ১৯৭৫ পরবর্তী সরকারগুলোর মূল কাজ। ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে একের পর এক সেনা অভ্যুত্থান, সেনাবাহিনীর অন্তর্দ্বন্দ্ব, মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্যদের হত্যা ও তাদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলে। ৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৮১ সালের ৩০ মে পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ২২টি সেনা অভ্যুত্থান ঘটে, যা দেশের চরম অরাজক চিত্রই তুলে ধরে।

তিনি আরো বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে এ দেশে পাকিস্তানি ধ্যান-ধারণার পুনর্প্রচলনের অপচেষ্টা চলে। পাঠ্যপুস্তক থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার সব রকম চেষ্টা দেখা যায়। গণআন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়। এমনকি জাতীয় সংগীতেরও অবমাননা করা হয় বিভিন্নভাবে। সেসময় অনেক সরকারি অনুষ্ঠানেও জাতীয় সংগীতের পরিবর্তে শুধু সুর বাজানো শুরু হয়েছিল।

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাদের দ্বারা নির্যাতিত নারীদের পুনর্বাসনের কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং সামাজিকভাবে তাদের হেয় করা হয় বা একঘরে করা হয়। যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসনের কাজও কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। গণতন্ত্রকে রুদ্ধ করে চলে স্বৈরতন্ত্রের তাণ্ডব। বঙ্গবন্ধু হত্যা তাই জাতির জন্য বয়ে আনে দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভাগ্যের কালো মেঘ।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি তানজিন রিয়াদ হৃদয়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল আওয়াল, সেক্রেটারি ফারুক হোসেন শিমুল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডালিম,জনি,মিন্টু, সুজন,মিজান,সজীব, সাজ্জাদ প্রমুখ৷

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 TV Site
Develper By ITSadik.Xyz