1. abir.sayeed@gmail.com : abir :
  2. xerosmac@gmail.com : Mohin Soy : Mohin Soy
  3. zakariashipon1993@gmail.com : Narayanganj Tribune : Narayanganj Tribune
  4. sifat.sikder13@gmail.com : Sifat Sikder : Sifat Sikder
June 17, 2021, 5:48 pm

কবরস্থান রাজনীতি: কারা, কেন, কীভাবে!

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, May 23, 2021

বিশেষ প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশকে বলা চলে ‘কমিটিপ্রবণ দেশ।’ যেকোনো কিছুতে এদের কমিটি লাগবেই। অবস্থা এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে, দেশের জনসংখ্যা নিয়ে যেমন সবাই ধোঁয়াশায়, তেমনি দেশে নানান ধরণের কমিটির সংখ্যা কত, তা নিশ্চিতভাবে কেউ বলতে পারবেন না।

‘অতিথিপরায়ণ’ বাংলাদেশকে ‘অতিথিপ্রবণ’ দেশ হিসেবে আখ্যা দিলেও অত্যুক্তি হবে না। ধর্মীয়-সামাজিক-রাজনৈতিক অনুষ্ঠানগুলোতেও অতিথি হতে পীড়াপীড়ি, কখনোবা আঞ্চলিক ভাষায় ‘পাড়াপাড়ি’ করতেও দেখা যায় অনেককে। বঙ্গদেশেই ‘দুই কেজি পটল বিতরণ অনুষ্ঠানেও’ বিশাল বড় ব্যানার করে ডোনেশন দেনেওয়ালা তথাকথিত অতিথিদের খুশি করা হয়। প্রধান অতিথির নাম সবচেয়ে বড়, এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য নামগুলো ছোট হয়ে আসবে, এমন উদ্ভট অলিখিত নিয়মও চালু আছে এখানে। আর এই ‘কমিটি’ আর ‘অতিথি’ নিয়ে ‘বাড়াবাড়ি’ থেকে শুরু করে ‘সম্পর্ক ছাড়াছাড়ি’ হতেও দেখা যায়। তারই প্রকৃষ্ট উদাহরণ ফতুল্লার কুতুবপুরের শাহীবাজার কবরস্থান ও মসজিদ কমিটি। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্বেও রাজনীতির বিষবাস্পের হাত থেকে রেহাই পায়নি প্রতিষ্ঠানটি। কবরস্থান ও মসজিদটিকে ঘিরে সাবেক ও বর্তমান কমিটির অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে জনসাধারণ রীতিমতো অবাক, স্তম্ভিত।

তথ্য-উপাত্তে প্রকাশ, মূলত শাহীবাজার কবরস্থান ও মসজিদ কমিটিকে ঘিরে চলছে পাওয়া-না পাওয়ার লড়াই। একথা অস্বীকারের উপায় নেই যে, বাংলাদেশে যেকোনো প্রতিষ্ঠানেই ক্ষমতাসীন দলের লোকেদের আধিপত্য থাকে। এই ‘ওপেন সিক্রেট’ কতটা মঙ্গলজনক, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। তবে কুতুবপুরের সকল জায়গায় ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ তো আছেই, ক্ষমতার বাহিরে থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র পদবিহীন বা পদধারী নেতাদেরও আধিপত্য থাকে। সুধীজনেরা বলছেন, কুতুবপুরের অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠানের মতো শাহীবাজার মসজিদ ও কবরস্থানেও অর্থের ছড়াছড়ি দেখা যায়। জনসাধারণের দান ও বিভিন্ন মহলের অনুদান আত্মসাৎ এর অভিযোগ প্রায়শই শোনা যায়। ক্ষমতা পাওয়া আর না পাওয়ার এই বিরোধে পর্দার আড়াল থেকে কলকাঠি নাড়ে একটি পক্ষ, এমন জনশ্রুতিও রয়েছে।

জনসংখ্যায় ও আয়তনে বিশাল কুতুবপুরের ক্ষমতাসীন নেতারা যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য জন্য ফতুল্লা ও শহরের নেতাদের কাছে ধর্না দেন। চাঁদের যেমন নিজের কোনো আলো নেই, এদের দশাও তাই। এ নিয়ে হাস্যরসেরও শেষ নেই। এই চিত্র এক যুগেরও বেশি সময়ের। কুতুবপুরের আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে বিরোধ জিইয়ে রেখে আখেরে কাদের লাভ হয়, কারা এই শিল্পাঞ্চলে ছড়ি ঘোরাতে পারেন, তা সহজেই অনুমেয়। কুতুবপুর থেকে নেতৃত্ব বিকশিত হতে দেওয়া হয় না একটি মহলের ইন্ধনেই, এমন অভিযোগ তৃনমূলের। এতে করে দলের সাংগঠনিক শক্তি, ভারসাম্য কিংবা চেইন অফ কমান্ডও প্রশ্নবিদ্ধ হয় বলে মনে করছেন অনেকে। কবরস্থান ইস্যুর সমাধানও কুতুবপুরের নেতারা করতে পারবেন না বলে মনে করছেন অনেকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 TV Site
Develper By ITSadik.Xyz