1. abir.sayeed@gmail.com : abir :
  2. xerosmac@gmail.com : Mohin Soy : Mohin Soy
  3. zakariashipon1993@gmail.com : Narayanganj Tribune : Narayanganj Tribune
  4. sifat.sikder13@gmail.com : Sifat Sikder : Sifat Sikder
June 18, 2021, 3:57 pm

প্রদীপ নিভু নিভু, মধুচক্রের রেহেনা মুসকানের হাসি নেই

Reporter Name
  • Update Time : Friday, June 4, 2021

বিশেষ প্রতিবেদকঃ হাতে ওয়াকিটকি,গায়ে বিশেষ পোশাক, চলনে-বলনে ‘আমিত্ব’ এর প্রকাশ। খুলে বসেছেন তথাকথিত মানবাধিকার’ সংগঠন’ এর নামে প্রতারণা, চাঁদাবাজি, ব্ল্যাকমেইলিং, দেহব্যবসার আখড়া। নামের আগে জুড়েছেন মানবাধিকার নেতা, সম্পাদকসহ গোটা কয়েক তকমা। এমন কোনো সমস্যা নেই, যার সমাধান তিনি দিতেন না।


সারাদেশে ভুয়া সংগঠনের ভুয়া কমিটি দেওয়ার নাম করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল অর্থ। বিপদগ্রস্ত মানুষ কিংবা বড় ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ফায়দা হাসিলই তার কাজ। বলা হচ্ছে, দেশের উত্তরাঞ্চলের একটি জেলার প্রতারক প্রদীপ চন্দ্র বর্মনের কথা।

সূত্রমতে, ডাকসাইটে নেতা, তারকাদের সংগঠনের উপদেষ্টা করে নির্বিঘ্নেই প্রতারণা ব্যবসা চালাচ্ছিলো প্রদীপ। ভূঁইফোড় পত্রিকা, অনলাইন টিভিও খুলে বসেছিলো সে৷


ব্যবসা আরো জমজমাট করতে নারায়ণগঞ্জ জেলাতেও কমিটি দিতে চাইলে জুটে যায় তারই মতো আরেক প্রতারক রেহেনা মুসকান। তথাকথিত তালাশ টিভি ৭৯ এর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান করা হয় রেহেনাকে, যার চেয়ারম্যান প্রদীপ।

প্রদীপের মতোই রেহেনার অপরাধের প্রোফাইলও বেশ ভারি। ফেনসিডিল ব্যবসায়ী হিসেবে তাকে একনামেই চেনে সবাই৷ অতি দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া রেহেনা অর্থের লোভে কিশোরীকালেই জড়ায় ফেনসিডিল ব্যবসায়।

ফলে গ্রেফতার হয়ে হাজতবাসও জোটে তার কপালে। সেখান থেকে বের হয়ে অনেক অনুনয় করে কাজ নেয় জেলার এক সিনিয়র আইনজীবীর ফুটফরমাশ খাটার।

সূত্র আরো জানায়, এক আইনজীবীর চেম্বারেই এক ব্যক্তির সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় অসামাজিক কার্যকলাপরত রেহেনাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই ব্যক্তির স্ত্রী। সেখানেই রেহেনাকে প্রকাশ্যে জুটাপেটা করেন ওই নারী। আদালত প্রাঙ্গন থেকেও তাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়।

তবে থেমে থাকেননি রেহেনা। বরং আরো দ্রুতবেগে চালিয়ে যান অপকর্ম। ভুয়া এই মানবাধিকার কর্মীর বিরুদ্ধে রয়েছে দেহব্যবসা, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ফিটিংবাজি, প্রতারণাসহ বিস্তর অভিযোগ। শহরের ধনী ব্যক্তিদের কাছে তিনি সুন্দরী তরুণী সরবরাহ করেন, একথা ওপেন সিক্রেট৷ এজন্য রেহেনাকে ‘মধুচক্রের হোতা’ও ডাকা হয়। এছাড়া সহজসরল প্রবাসীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অযুহাতে অর্থ আত্মসাৎও করেন রেহেনা। আর এসব অপকর্ম করেই একসময়ের হতদরিদ্র রেহেনা এখন বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক।

সূত্রমতে, রেহেনা বিয়ে করেছেন চারটি। তার বর্তমান স্বামী বয়সে তার সন্তান সমতুল্য৷ ওই তরুণের পড়াশোনা, পকেট খরচসহ সবই রেহেনা বহন করেন।

একাধিক সূত্রমতে, ফতুল্লার তক্কার মাঠের আরেক প্রতারক, চিহ্নিত অপরাধী জহির রেহেনার প্রেমিক। জহিরের সঙ্গে রেহেনাকে প্রায়ই লং ড্রাইভে দেখা যায়। শুধু তাই নয়, তারা বিভিন্ন কটেজেও রাত্রিযাপন করেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।

তবে র‍্যাবের জালে প্রদীপ ধরা পড়ার পরে রেহেনাও ভালো নেই। প্রদীপের আলো নিভু নিভু হওয়ার পাশাপাশি রেহেনা মুসকানের হাসিও এখন বিলীন। প্রদীপ বেকায়দায় পড়ার আগে থেকেই অবশ্য পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আইসিটি এক্টের মামলার আসামী রেহেনা। তবে এই ঘটনা আরো বেকায়দায় ফেলেছে তাকে৷ তার অপকর্ম উঠে আসতে শুরু করেছে গণমাধ্যমে।

জেলাবাসীর দাবি, প্রদীপ-রেহেনা-জহির চক্রকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 TV Site
Develper By ITSadik.Xyz