1. abir.sayeed@gmail.com : abir :
  2. xerosmac@gmail.com : Mohin Soy : Mohin Soy
  3. zakariashipon1993@gmail.com : Narayanganj Tribune : Narayanganj Tribune
  4. sifat.sikder13@gmail.com : Sifat Sikder : Sifat Sikder
September 26, 2021, 5:56 pm

প্রভাবশালীরাই খুঁটির জোর, আগেও গ্রেফতার হন শামীম তারেক

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, May 27, 2021

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে গ্রেফতার হয়েছেন ফতুল্লার পাগলার বহুল আলোচিত- সমালোচিত জমি ব্যবসায়ী শামীম তারেক। অবশ্য এর আগেও বিভিন্ন অভিযোগে কারাগারে যেতে হয়েছে তাকে।

সূত্রমতে,২০১৭ সালে ম্যাজিস্ট্রেটের জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিরীহ ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীকারী চিহিৃত ভূমিদস্যু সৃজন হাউজিংয়ের মালিক কাজী শামীম তারেককে ওই বছরের ১৭ নভেম্বর গ্রেফতার করে ফতুল্লা থানা পুলিশ।

ওই সময়ে পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ফতুল্লা মডেল থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ কামাল উদ্দিনের নির্দেশে ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক গোলাম মোস্তফাসহ সঙ্গীয় ফোর্স কাজী শামীম তারেক জেলার সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বস্তল ও ব্রাক্ষ্মণগায়ে বিভিন্ন নিরীহ মানুষের জমির উপর সৃজন হাউজিং প্রকল্প নামে একটি ভুয়া সাইনবোর্ড ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারনা করে আসছে দীর্ঘদিন যাবত।

প্রতারক শামীম ও তার সহযোগীরা সদর উপজেলার ইসদাইরের মৃত.সামসুল হক বেপারীর ছেলে মো.মোশারফ হোসেনের কাছ থেকে কম টাকায় প্লট দেয়ার নামে ২০১২ সালের মে মাস হতে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে শামীম তারেক ৩৫ লাখ টাকা গ্রহন করেন। শামীম তারেক মোশারফ হোসেনকে জমি বুঝিয়ে না দিয়ে টাকা আতœসাত করেন এবং মোশারফ হোসেনকে টাকা দেয়ার পরিবর্তে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানী করে আসছিলেন। এ বিষয়ে মো.মোশারফ হোসেন ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন যার নং ৬৯৪ (১৫/১/১৭ইং)।

পরবর্তীতে শামীম তারেকের সহযোগিরা মোশারফ হোসেনকে বিভিন্নভাবে প্রাননাশের হুমকী প্রদান করায় শামীম তারেকসহ তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে একটি সিআর মামলা করেন যার নং ৩৪৯/১৭। আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসে শামীম তারেকের সহযোগিরা মোশারফ হোসেনকে মামলা তুলে নিতে অব্যাহত হুমকী প্রদান করেন এবং কক্সবাজার থেকে মেজিস্ট্রেটের জাল স্বাক্ষর সম্বলিত একটি ভুয়া ওয়ারেন্টের মাধ্যমে শামীম তারেক মোশারফ হোসেনকে হয়রানী করে আসছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে মোশারফ হোসেন ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন যার নং ৩৯০ (৮/৮/১৭ইং)।

সৃজন হাউজিংয়ের মালিক মহাপ্রতারক মো.কাজী শামীম তারেকের জমি বিক্রি নিয়ে সাধারন মানুষের প্রতারনার সংবাদ ইতিপুর্বে দৈনিক ইত্তেফাকসহ স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকা ও একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিলো।

বিশ্বস্ত সূত্রমতে, প্রায় ৮/৯ শতাধিক মানুষের কাছ থেকে প্লট বিক্রি করে ১৪৫/১৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এ প্রতারক। কুতুবপুরের প্রভাবশালী মহলের সহযোগীতায়ই দীর্ঘদিন ধরে এই অপকর্ম চালাচ্ছেন শামীম। ওই মহলটিও শামীমের কাছ থেকে প্রতারণার টাকার পারসেন্টিজ নিয়ে থাকে বলে ব্যাপকভাবে প্রচলিত আছে।

আউয়াল নামে এক ভুক্তভোগী জানান,সোনারগায়ের বস্তল এলাকায় শামীমের ক্রয়কৃত জমি না থাকলেও একই প্লট ৪/৫জনের কাছে বিক্রি করে টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক শামীম। আমরা ভুক্তভোগীরা আমাদের কষ্টের জমানো টাকাগুলো ফেরত চাই এবং শামীমের দৃস্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করছি।

মহাপ্রতারক শামীম তারেককে গ্রেফতারের পরে সাংবাদিকদেরকে ওই সময়ের ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল উদ্দিন বলেছিলেন ‘শামীমের বিরুদ্ধে জমি বিক্রি করে তা গ্রাহক না বুঝিয়ে দিয়ে উল্টো বিভিন্নভাবে হয়রানী করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। শামীমের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেনের একটি অভিযোগের সুত্রেই গ্রেফতার করা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, ফতুল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আবাসন ব্যবসায়ী শামীম তারেককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শামীম তারেক সৃজন হাউজিং লিমিটেড নামের একটি আবাসন কোম্পানীর পরিচালক। সে পাগলা দেলপাড়া টাওয়ার পাড়ের মিলন মিয়ার ভাড়াটিয়া বয়রা ডাক্তারের ছেলে।

বুধবার (২৬ মে) রাতে ফতুল্লার পাগলায় এলাকার তার হাউজিং কোম্পানীর অফিস থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে বুধবার সকালে ধর্ষিতা তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীটির মা বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আশিক ইমরান ও উপ-পরিদর্শক শামীম পাগলা দেলপাড়া টাওয়ার পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

বাদী মামলায় উল্লেখ করেন যে, ফতুল্লা থানার পাগলা দেলপাড়ার টাওয়ারপাড়স্থ মিলনের ছয় তলার তৃতীয় তলায় ধর্ষক শামীম এবং নীচ তলায় বাদী স্ব পরিবারে ভাড়া থাকেন। সে সুবাদে পূর্ব পরিচয়ের সুত্র ধরে তার মেয়ে ধর্ষককে আংকেল বলে ডাকতো। চলতি মাসের ১৬ তারিখে দুপুর ২টার দিকে সে তার মেয়েকে ঘরে রেখে বাইরে গেলে বিবাদী তার মেয়ের মুখ চেপে ধরে প্রথম দফায় ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে একদিন পর ১৭ তারিখ দুপর আড়াইটার দিকে বিবাদী পুনরায় তার রুমে প্রবেশ করে তার মেয়েকে একা পেয়ে ছুরির ভয় দেখিয়ে দ্বিতীয় দফায় আবারো ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে তার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পরলে শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তার মেয়ে তাদেরকে সব কিছু খুলে বলে।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান জানান, মামলা দায়েরের পরে অভিযুক্ত আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 TV Site
Develper By ITSadik.Xyz