1. abir.sayeed@gmail.com : abir :
  2. xerosmac@gmail.com : Mohin Soy : Mohin Soy
  3. zakariashipon1993@gmail.com : Narayanganj Tribune : Narayanganj Tribune
  4. sifat.sikder13@gmail.com : Sifat Sikder : Sifat Sikder
May 15, 2021, 4:11 am

বিজয়ের মহিমা ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র : আওয়ামী লীগ নেতা সালাউদ্দিন

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, December 15, 2020

রাত পোহালেই বিজয় দিবসের মাহেন্দ্রক্ষণ। ১৯৭১ সালের এই দিনে পরাধীনতার শৃংখল ভেঙে বিজয় ছিনিয়ে আনে মুক্তিকামী বাঙালি। বিশেষ এই দিনটি উপলক্ষে বক্তাবলীবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ সালাউদ্দিন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় কানাইনগর নিবাসী বর্ষীয়ান এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন,’মুজিব আদর্শে বিশ্বাসী একজন সৈনিক। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। এই দেশে স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার আগেও ছিল, এখনও আছে। তারা প্রায়ই মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে এই দেশটাকে অশান্ত করার জন্য। কিন্তু আমরা আর তা হতে দিবোনা। আমরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে তাদের প্রতিহত করবো। এই দেশ এখন স্বাধীন দেশ। স্বাধীন দেশে রাজাকারদের আর কোনো স্থান হবে না।’

সালাহউদ্দিন আরো বলেন, ‘আমি গর্বিত এবং আনন্দিত যে স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তি জীবদ্দশায় দেখে যেতে পারছি। এই জন্য মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই। বিজয় দিবসে প্রতিবছর নিজের বাড়িতে মাইক লাগিয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সহ দেশাত্মবোধক গান প্রচার করেন সালাউদ্দিন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধীরা ফতোয়া দিয়েছিল জয় বাংলা শব্দ আর বাংলা কেবল হিন্দুদের ভাষা। তাই এটি বলা যাবে না। মুখে নেওয়া যাবে না। এই জন্য মূলত আমি প্রচার করি জয়বাংলা হিন্দুদের শব্দ নয়, বাংলা শুধু হিন্দুদের ভাষা নয়। জনগণ যাতে সচেতন হয় জানতে পারে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে। আমরা কত কষ্টের বিনিময়ে কত রক্তের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন করেছি। মানুষ সচেতন হোক। এই দেশ পরাধীন নয়। এটা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাংলাদেশ। স্বাধীন দেশ। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে আপনার এই মাইকিং প্রচার চালু ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন তখন আমি ঢাকায় ছিলাম। ব্যবসা করতাম। তখন বঙ্গবন্ধুর নাম মুখে নেওয়া যেত না। সেই সময়ও আমি বাড়িতে মাইকিং করেছি। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার করেছি। আমাকে জামাতের নেতা বাধা দিয়েছিল। আমি বলেছি এসব বাজাবো যদি পারো আমাকে এরেস্ট করো। আমার দোকানের সামনে বঙ্গবন্ধুর ছবি টানানো ছিল সব সময়। এজন্য ২০০১ সালে আমাকে ঘর বন্দী করে রাখা হয়।

আমি অনেক সাহসী লোক। আমার সাহসে এলাকার লোক সাহস পেয়েছিল। তৎকালীন সময় আমি একাই বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজিয়েছিলাম। ভিন্ন এক প্রসঙ্গে মোঃ সালাহউদ্দিন বলেন ‘মানুষ আমাকে চেনে ও জানে। পুরান ঢাকা সাইনবোর্ড এবং নিজ এলাকার মানুষ আমাকে চেনে। কারণ ২৬ শে মার্চ, ১৫ আগস্ট, ১৬ ডিসেম্বর জাতীয় দিবসগুলোতে নিজের বাড়িতে নিজের টাকা খরচ করে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ও দেশাত্মবোধক গান আমি প্রচার করি। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল না তখনও করেছি এখন যখন ১২ বছর ধরে ক্ষমতায় আছে এখনো করছি। কাঙ্গালি ভোজ করে মানুষকে খাওয়ানোর রেকর্ডও আমার আছে।

কোনো পদ-পদবিতে আছেন কিনা বা না থাকলে আক্ষেপ হয় কিনা জানতে চাইলে সালাউদ্দিন বলেন ‘আমার কোনো আক্ষেপ নেই। তবে আমী চাই আমার এই জায়গায় যারা আওয়ামী লীগ করে তারা যেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নিবেদিতপ্রাণ হয়। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ছিল দুর্নীতি মক্ত বাংলাদেশ গড়ার। সাধারণ মানুষকে ভালোবাসা। কিন্তু যদি কেউ নিজের আখের গোছায় তাহলে জনগণকে ভালোবাসা হয় না। জনগণের প্রতি দরদ থাকতে হবে বঙ্গবন্ধুর মতোই। আমি বলতে চাই তোমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করো। লালন করো। তার স্বপ্নপূরণে কাজ করো। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন আমি দুইটা জিনিস পেয়েছি এক সোনার মাটি, দুই সোনার মানুষ। এই কথাগুলো প্রত্যেকটা মানুষকে জানতে হবে। বুকের মধ্যে লালন করতে হবে’। তিনি মানুষের জন্য সারা জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাই আমি বলবো আপনারা যারা ক্ষমতায় আছেন তারা দুর্নীতি করবেন না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও নীতি কে ধারণ করে দেশটাকে সোনার বাংলা গড়বেন।বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশটাকে উন্নত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী একটি পক্ষ দেখেও না দেখার ভান করছে। তারা স্বীকার করতে চায় না মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদানকে।

সাম্প্রতিক ভাস্কর্য ইস্যুকে নিয়ে সালাউদ্দিন বলেন ‘বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য আছে এ ব্যাপারে তারা কিছু বলে না। তাদের চোখ উল্টো জুড়ে যায় এবং উদ্বেলিত হয়। কোন রা নেই তাদের মুখে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন আমরা তাদের জানি তাদের ফতোয়াবাজ ও জানি।স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তারা ফাতোয়া দিয়েছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলে কাফের হয়ে য়াবে। তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা সবাই (কেউ হাত দিয়ে কেউ খাদ্য দিয়ে কেউ বুদ্ধি দিয়ে) সম্মুখ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছিলাম। তাই বলে কি আমরা কাফের। তাদের ফতোয়ায় কি আমরা কাফের হয়ে গেছিলাম। না। আমরা মুসলমান। তারা আরও একটি জঘন্য ফতোয়া দিয়েছিল যুদ্ধের সময় ধর্ষণ জায়েজ। এবং আমাদের মা বোনদের কে নরপশুদের হাতে তুলে দিয়েছিল। বলেছিল এ গরি মলের মাল (নাউজুবিল্লাহ)। তারা বলেছিল জয়বাংলা হিন্দুদের শব্দ। কিন্তু তারাই নির্বাচনের সময় দুই আঙ্গুল ফাঁক করে বলে বিজয়। তারা বিজয় শব্দ ব্যবহার করে অথচ মুখে বলে হিন্দুদের ভাষা। এতে বুঝা যায় তাদের মতলববাজী, এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সর্বশেষ আমি বলতে চাই ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীন বাংলাদেশ অতএব শহীদদের রক্ত কে সম্মান করতে শেখেন।আর পাকিস্তানি বর্বর পশুদের পক্ষ নেবেন না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 TV Site
Develper By ITSadik.Xyz