অসাধারণ ব্যক্তিত্বের দ্যুতি ছড়িয়েছেন নিজাম আলম, মৃত্যুবার্ষিকীতে বললেন নান্নু

25

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, নারায়ণগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি, প্রয়াত কাউন্সিলর শেখ মোঃ নিজাম আলমের ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে)। তৎকালীন সময়ে নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী ঘরানার রাজনীতির অন্যতম পুরোধা, জনপ্রিয় এই রাজনীতিবিদের প্রয়াণের এই দিনে তাঁর স্মরণে জেলাজুড়ে ছিল বিভিন্ন আয়োজন। বিভিন্ন জনহিতকর কর্মসূচীর মাধ্যমে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানান নানা রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের ব্যক্তিবর্গ। জানা যায়, স্মরণীয় এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর রাজনৈতিক সহকর্মী, গুনমুগ্ধ ভক্ত-অনুরাগীরা বিভিন্ন আয়োজন করেন। কোরআন খতম, তাঁর কর্মময় জীবনের উপর আলোচনা, দুস্থ-হতদরিদ্রদের মধ্যে খাবার বিতরণ, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ ছিল মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।

প্রিয় নেতার চলে যাওয়ার এই দিনে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অসহায় ও দুস্থদের পাশে দাঁড়ান জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান নান্নু। ইফতারি হিসেবে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানাধীন শিবু মার্কেট ও এর আশেপাশের এলাকায় তাঁর উদ্যোগে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। এমন প্রশংসনীয় উদ্যোগ নজর কেড়েছে সবার। গরিব-দুঃখির মুখে অন্ন তুলে দেওয়া প্রয়াত মহান নেতার প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে মনে করছেন সকলেই।

এই মহতী উদ্যোগ সম্পর্কে বলতে গিয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নান্নু বলেন, ‘শুধু আওয়ামী লীগ নয়, গোটা নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য আজ বেদনাবিধূর দিন। মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক,শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব শেখ মোঃ নিজাম আলম জীবদ্দশায় তাঁর অসাধারণ ব্যক্তিত্বের দ্যুতি ছড়িয়েছেন। সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমকে রাজনীতির মূলমন্ত্র হিসেবে নিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন, মানুষকে ভালোবাসলে তা দ্বিগুণ হয়ে ফিরে আসে। আর এখানেই তাঁর কারিশমা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিনাশী আদর্শ, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, সাম্যবাদকে অন্তরে ধারণ করে তিনি হয়েছেন মৃত্যুন্জয়ী। কালজয়ী এই রাজনীতিবিদ তাঁর সন্তানদেরও মেধা ও মননে করেছেন পরিশীলিত সুনাগরিক। তাঁর সুযোগ্য উত্তরসূরী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সুযোগ্য সভাপতি শেখ সাফায়াত আলম সানি পিতার অসাধারণ রাজনৈতিক দর্শনকে সামনে রেখে পথ চলছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, প্রগতিশীলতার প্রতি অবিচল আস্থা নিয়ে সানি এগিয়ে চলেছেন আপন মহিমায়, পরিণত হয়েছেন সারা বাংলাদেশের ইতিবাচক রাজনীতির আইকনে। ‘

নান্নু আরো বলেন, ‘দেশের এই চরম ক্রান্তিকালে চিরস্মরণীয় নেতার মৃত্যুবার্ষিকীতে গরিব-দুঃখির সাহায্যে এগিয়ে আসাকে নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে মনে করি। আর প্রিয় নেতার মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁদের মুখে অন্ন তুলে দিতে পেরে ভালো লাগছে। করোনাভাইরাসের এই ক্রান্তিকালে আমাদের সকলেরই উচিত যার যার অবস্থান থেকে মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসা।‘

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here